শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা ২০২৬: স্কুল, স্কুল-২ ও কলেজ পর্যায়

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

প্রিয় চাকরিপ্রত্যাশীগণ, বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতে আগ্রহীদের জন্য শিক্ষক নিবন্ধন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা এবং সংশ্লিষ্ট পদের অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।

বিশেষ করে স্কুল, স্কুল পর্যায়-২ ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা এক নয়। শুধু এইচএসসি পাস করে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেওয়া যাবে কি না, ডিগ্রি পাস প্রার্থীরা কোন পর্যায়ে আবেদন করতে পারবেন কিংবা শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ থাকলে আবেদনের সুযোগ রয়েছে কি না – এসব বিষয়ে অনেক প্রার্থীর মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে।

অন্যদিকে ২০২৫ সালে নতুন শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালা জারি হওয়ার পাশাপাশি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালাতেও পরিবর্তন এসেছে। ফলে শুধু পূর্ববর্তী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করে বর্তমান যোগ্যতা নির্ধারণ করা ঠিক হবে না।

আজকের আলোচনায় আমরা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা, বয়সসীমা, পর্যায়ভিত্তিক শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং নতুন ও পুরোনো বিধিমালার পার্থক্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানব।

TL;DR: এক নজরে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা ২০২৬

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক পদ এবং প্রযোজ্য জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার ওপর। নিচের টেবিলে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০২৩-এর বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

পর্যায় ও পদের নাম১৮তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্কুল পর্যায় – সহকারী শিক্ষকসংশ্লিষ্ট বিষয়ের জন্য নির্ধারিত স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। পদ অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয়, নম্বর ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।
স্কুল পর্যায়-২ – ইবতেদায়ি শিক্ষক (সাধারণ)এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
স্কুল পর্যায়-২ – ইবতেদায়ি মৌলভীবাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে আলিম ডিগ্রি।
স্কুল পর্যায়-২ – ইবতেদায়ি ক্বারীবাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে দাখিল মুজাব্বিদ অথবা আলিম মুজাব্বিদ মাহির।
স্কুল পর্যায়-২ – ট্রেড ইন্সট্রাক্টরসংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে নির্ধারিত তিন বা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা এবং ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের CGPA।
কলেজ পর্যায় – প্রভাষক (সাধারণ বিষয়)সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) অথবা স্নাতকে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

বয়সসীমা: ২০২৫ সালের নতুন শিক্ষক নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখে প্রার্থীর বয়স সরকার নির্ধারিত বয়সসীমার মধ্যে থাকতে হবে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সসীমা প্রচলিত রয়েছে।

শিক্ষাগত ফলাফল: ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের অনেক পদের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য ছিল না। তবে কিছু পদের জন্য সর্বশেষ ডিগ্রিতে দ্বিতীয় শ্রেণি থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।

সর্বশেষ বিধিমালা: ৯ ডিসেম্বর ২০২৫-এ প্রকাশিত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ, নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০২৫-এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০০৬ রহিত করা হয়েছে।

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার পর্যায় কয়টি ও কী কী?

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা মূলত তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত। যথা – 

১। স্কুল পর্যায়
২। স্কুল পর্যায়-২
৩। কলেজ পর্যায়

এই তিনটি পর্যায়ের অধীনে বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ, নিবন্ধনের পর্যায় শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী নয়, বরং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক পদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।

চলুন দেখে নেই, কোন পর্যায়ের অধীনে কী কী শিক্ষক পদ রয়েছে:

স্কুল পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক পদসমূহ

স্কুল পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদগুলোর বিষয় হলো বাংলা, ইংরেজি, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, গণিত, ভৌত বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান, কৃষি, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, চারু ও কারুকলা, ধর্ম এবং গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান।

এছাড়া সহকারী শিক্ষক (শরীরচর্চা)/শরীরচর্চা শিক্ষক ও সহকারী মৌলভী পদও স্কুল পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত।

স্কুল পর্যায়-২-এর অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক পদসমূহ

স্কুল পর্যায়-২-এর অধীনে চার ধরনের শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। যথা:

১। ট্রেড ইন্সট্রাক্টর
২। ইবতেদায়ি মৌলভী
৩। ইবতেদায়ি শিক্ষক (সাধারণ)
৪। ইবতেদায়ি ক্বারী

এই পর্যায়ের পদগুলো মূলত মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শিক্ষা এবং কারিগরি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ফলে স্কুল পর্যায়-২-এর বিভিন্ন পদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও আলাদা।

কলেজ পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষক পদসমূহ

কলেজ পর্যায়ের অধীনে প্রভাষক, ইন্সট্রাক্টর (টেক), ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক) এবং প্রদর্শক পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এসব পদের মধ্যে সাধারণ কলেজ ও মাদ্রাসার প্রভাষক পদের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইন্সট্রাক্টর এবং বিভিন্ন বিষয়ের প্রদর্শক পদও রয়েছে।

উল্লেখ্য, শিক্ষক নিবন্ধনের প্রতিটি পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এক নয়। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

স্কুল পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

স্কুল পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট পদের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। এক্ষেত্রে শুধু স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই সব বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করা যায় না। আপনার স্নাতক পর্যায়ে কোন বিষয় ছিল, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কত নম্বরের কোর্স সম্পন্ন করেছেন এবং শিক্ষাগত ফলাফল কেমন – এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্কুল পর্যায়ের বিভিন্ন সহকারী শিক্ষক পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিচে আলোচনা করা হলো।

সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম ৩০০ নম্বরের বাংলাসহ স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া বাংলা বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরাও এই পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে পারবেন।

এই পদের জন্য B.Ed ডিগ্রিসহ এবং B.Ed ছাড়া উভয় ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিকল্প উল্লেখ রয়েছে। তবে সমগ্র শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

উল্লেখ্য, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বাংলা) পদের ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে ৩০০ নম্বরের বাংলাসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন। B.Ed ডিগ্রি থাকলে সেটিতেও দ্বিতীয় শ্রেণির শর্ত রয়েছে। এক্ষেত্রে নির্ধারিত সর্বশেষ ডিগ্রি ছাড়া শিক্ষাজীবনের অন্য যেকোনো একটি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য।

সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) পদের জন্য স্নাতক পর্যায়ে ন্যূনতম ৩০০ নম্বরের ইংরেজিসহ স্নাতক ডিগ্রি অথবা ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

বাংলা বিষয়ের মতো ইংরেজির ক্ষেত্রেও B.Ed ডিগ্রিসহ এবং B.Ed ছাড়া আবেদন করার বিকল্প রয়েছে। তবে শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) পদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রির শর্ত রয়েছে। B.Ed ডিগ্রিসহ যোগ্যতা পূরণ করতে চাইলে ওই ডিগ্রিতেও দ্বিতীয় শ্রেণি থাকতে হবে।

অর্থাৎ, ডিগ্রি পাস প্রার্থীরা ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক হতে চাইলে স্নাতক পর্যায়ে ইংরেজির নির্ধারিত ৩০০ নম্বরের শর্ত পূরণ করেছেন কি না, তা যাচাই করতে হবে।

সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (গণিত) পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতসহ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

এক্ষেত্রেও B.Ed ডিগ্রিসহ এবং B.Ed ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার বিকল্প রয়েছে। তবে সমগ্র শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) বা দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পদের ক্ষেত্রে গণিতসহ বিজ্ঞান বিভাগে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন। B.Ed ডিগ্রিসহ যোগ্যতার ক্ষেত্রে ওই ডিগ্রিতেও দ্বিতীয় শ্রেণির শর্ত রয়েছে।

সুতরাং শুধু বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই হবে না; স্নাতক পর্যায়ে গণিত বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

অন্যান্য সহকারী শিক্ষক পদের যোগ্যতা

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত ছাড়াও স্কুল পর্যায়ের অন্যান্য বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদের মূল শিক্ষাগত যোগ্যতা তুলে ধরা হলো।

শিক্ষক পদন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা
সামাজিক বিজ্ঞানঅর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকল্যাণ/সমাজকর্ম অথবা ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানসহ নির্ধারিত বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
ব্যবসায় শিক্ষাস্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বা ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
ভৌত বিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নসহ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
পদার্থবিজ্ঞানপদার্থবিজ্ঞান বিষয়সহ নির্ধারিত দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
রসায়নরসায়ন বিষয়সহ নির্ধারিত দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
জীববিজ্ঞানপ্রাণিবিজ্ঞান বা উদ্ভিদবিজ্ঞানসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
গার্হস্থ্য অর্থনীতিসংশ্লিষ্ট বিষয়সহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষাধর্ম অনুযায়ী নির্ধারিত ডিগ্রি। যেমন: ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে ফাজিল, হিন্দুধর্মের ক্ষেত্রে সংস্কৃত বা উপাধি ডিগ্রিসহ নির্ধারিত যোগ্যতা, বৌদ্ধধর্মের ক্ষেত্রে পালিসহ স্নাতক এবং খ্রিস্টধর্মের ক্ষেত্রে থিওলজিক্যাল কোর্সসহ স্নাতক ডিগ্রি।
কৃষিনির্ধারিত কৃষি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক অথবা সংশ্লিষ্ট পদের জন্য গ্রহণযোগ্য কৃষি ডিপ্লোমা বা অন্যান্য বিকল্প যোগ্যতা।

উল্লেখ্য, টেবিলে প্রতিটি পদের মূল বিষয়ভিত্তিক শিক্ষাগত যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী একই পদের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণি, B.Ed এবং তৃতীয় বিভাগসংক্রান্ত অতিরিক্ত শর্তও প্রযোজ্য হতে পারে।

সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে:

  • কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি (IT) অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।
  • বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স।
  • স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি B.Ed এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে এক বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্স ইন কম্পিউটার টেকনোলজি।

এছাড়া স্নাতক পর্যায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা ICT বিষয়সহ স্নাতক ডিগ্রি এবং সাধারণ স্নাতকের সঙ্গে নির্ধারিত অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট কোর্সের বিকল্প যোগ্যতাও রয়েছে।

এই পদের জন্য শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার বিকল্প আলাদাভাবে নির্ধারিত রয়েছে।

সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) বা শরীরচর্চা শিক্ষক পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি নিচের যেকোনো একটি প্রশিক্ষণগত যোগ্যতা থাকতে হবে:

১. BP.Ed ডিগ্রি বা সমমানের যোগ্যতা।
২. জুনিয়র ফিজিক্যাল ডিপ্লোমা।

এক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

বিশেষ শর্ত: বালিকা বিদ্যালয় ও মহিলা কলেজের সংশ্লিষ্ট শরীরচর্চা শিক্ষক পদে শুধু মহিলা প্রার্থীরাই আবেদনের যোগ্য।

অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শরীরচর্চা শিক্ষক এবং জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য ডিগ্রি, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষাগত ফলাফলের পৃথক শর্ত রয়েছে।

সহকারী শিক্ষক (চারু ও কারুকলা) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (চারু ও কারুকলা) পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চারুকলায় স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

এছাড়া স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাধারণ স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এক বছর মেয়াদি অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন ফাইন আর্টস সম্পন্ন করলেও শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করা যাবে।

উভয় ক্ষেত্রেই B.Ed ডিগ্রিসহ এবং B.Ed ছাড়া বিকল্প যোগ্যতা রয়েছে। তবে সমগ্র শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) পদের যোগ্যতা

সহকারী শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়সহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রির পাশাপাশি গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা।

এক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট পদে ফাজিল ডিগ্রি ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা অথবা আরবি বিষয়ে অনার্স ডিগ্রির সঙ্গে গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমার বিকল্প যোগ্যতা রয়েছে।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট পদের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি এবং অন্যান্য শিক্ষাগত ফলাফলের পৃথক শর্ত নির্ধারিত রয়েছে।

স্কুল পর্যায়-২ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

স্কুল পর্যায়-২-এর অধীনে মূলত মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শিক্ষক, ইবতেদায়ি মৌলভী, ইবতেদায়ি ক্বারী এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এক নয়। কোনো পদের জন্য এইচএসসি বা আলিম ডিগ্রি প্রয়োজন, আবার কোনো পদের জন্য নির্দিষ্ট কারিগরি ডিপ্লোমা থাকতে হবে।

সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির ১৪ ও ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্কুল পর্যায়-২-এর বিভিন্ন পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিচে আলোচনা করা হলো।

ইবতেদায়ি শিক্ষক (সাধারণ) পদের যোগ্যতা

ইবতেদায়ি শিক্ষক (সাধারণ) পদের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

এছাড়া সমগ্র শিক্ষাজীবনে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য ছিল।

অর্থাৎ, এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা শিক্ষাগত ফলাফলের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে এই পদে আবেদন করতে পারতেন।

ইবতেদায়ি মৌলভী পদের যোগ্যতা

ইবতেদায়ি মৌলভী পদের জন্য বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে আলিম ডিগ্রি থাকতে হতো।

এক্ষেত্রেও সমগ্র শিক্ষাজীবনে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য ছিল।

ইবতেদায়ি ক্বারী পদের যোগ্যতা

ইবতেদায়ি ক্বারী পদের জন্য বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হতো – 

১. দাখিল মুজাব্বিদ
২. আলিম মুজাব্বিদ মাহির

এছাড়া সমগ্র শিক্ষাজীবনে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য ছিল।

ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদের যোগ্যতা

কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য স্বীকৃত বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট টেকনোলজিতে তিন বা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা থাকতে হতো।

এই পদের জন্য গ্রহণযোগ্য শিক্ষাগত যোগ্যতাগুলোর মধ্যে ছিল – 

  • ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং
  • ডিপ্লোমা ইন টেকনিক্যাল এডুকেশন
  • ডিপ্লোমা ইন ভোকেশনাল এডুকেশন
  • ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল
  • কৃষি ডিপ্লোমা

তবে সব ট্রেডের জন্য সব ধরনের ডিপ্লোমা গ্রহণযোগ্য ছিল না। প্রার্থী যে ট্রেডে আবেদন করতে চান, সেই ট্রেডের সঙ্গে তাঁর ডিপ্লোমার বিষয় মিলতে হতো।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট ডিপ্লোমায় ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের CGPA থাকতে হতো। শিক্ষাজীবনে তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফলের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হতো।

কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা

কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য সাধারণত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) অথবা নির্ধারিত স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। তবে কলেজ পর্যায়ের সব পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এক নয়। প্রভাষক, গ্রন্থাগার প্রভাষক, প্রদর্শক এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য আলাদা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত রয়েছে।

সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তির ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিচে আলোচনা করা হলো।

প্রভাষক (সাধারণ বিষয়) পদের যোগ্যতা

বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞানসহ সাধারণ বিষয়ের প্রভাষক পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।

এক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের CGPA থাকতে হবে। এছাড়া শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

ডিগ্রি পাস করে কি কলেজ পর্যায়ে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা দেওয়া যায়?

হ্যাঁ, ডিগ্রি পাস প্রার্থীরাও কলেজ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রভাষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে শুধু তিন বছর মেয়াদি ডিগ্রি পাস করলেই হবে না। স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয় থাকার পাশাপাশি ওই বিষয়ে নির্ধারিত দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি ডিগ্রি পাস কোর্সে অর্থনীতি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করেন এবং পরবর্তী সময়ে অর্থনীতিতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন, তাহলে অর্থনীতি প্রভাষক পদের বিষয়ভিত্তিক শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণ করতে পারবেন। তবে অন্যান্য নির্ধারিত শর্তও পূরণ করতে হবে।

প্রভাষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের যোগ্যতা

কলেজ পর্যায়ের প্রভাষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পর্যায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান বা ICT বিষয়সহ স্নাতক ডিগ্রি এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান বা ICT বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

এক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের CGPA থাকতে হবে। শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

তবে মাদ্রাসার প্রভাষক (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) পদের জন্য স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রির বিষয় এবং শিক্ষাগত ফলাফলসংক্রান্ত পৃথক শর্ত রয়েছে।

প্রভাষক (ফিন্যান্স, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স) পদের যোগ্যতা

প্রভাষক (ফিন্যান্স, ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স) পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. ফিন্যান্স অথবা ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ ফিন্যান্স অথবা ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

এক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রি ছাড়া শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ, শ্রেণি বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রভাষক (উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন) পদের যোগ্যতা

প্রভাষক (উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন) পদের জন্য মার্কেটিং, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অথবা ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।

এক্ষেত্রে নিচের যেকোনো একটি যোগ্যতা গ্রহণযোগ্য – 

১. সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ ওই বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

তবে সর্বশেষ ডিগ্রিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের CGPA থাকতে হবে এবং শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রভাষক (আরবি) পদের যোগ্যতা

আরবি প্রভাষক পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা সাধারণ কলেজ ও মাদ্রাসার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে নির্ধারিত রয়েছে।

মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড অথবা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসা থেকে কামিল ডিগ্রি।

২. ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অথবা আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

৩. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

এক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রি ছাড়া শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য।

অন্যদিকে সাধারণ কলেজের আরবি প্রভাষক পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির অনার্স অথবা স্নাতক পর্যায়ে আরবি বিষয়সহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

সাধারণ কলেজের ক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রিতে দ্বিতীয় শ্রেণি এবং শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে তৃতীয় বিভাগসংক্রান্ত নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

প্রভাষক (হাদিস, তাফসির, ফিকহ ও আদব) পদের যোগ্যতা

মাদ্রাসার হাদিস, তাফসির, ফিকহ ও আদব বিষয়ের প্রভাষক পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে :

১. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড অথবা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়/ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসা থেকে কামিল ডিগ্রি।

২. ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অথবা আল-ফিকহ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

৩. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

এছাড়া সর্বশেষ ডিগ্রি ছাড়া শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য।

গ্রন্থাগার প্রভাষক পদের যোগ্যতা

গ্রন্থাগার প্রভাষক পদের জন্য সাধারণ কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষাগত যোগ্যতা আলাদা।

সাধারণ কলেজের গ্রন্থাগার প্রভাষক পদের জন্য নিচের যেকোনো একটি শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে – 

১. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানে অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

২. স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রির পাশাপাশি গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান বিষয়ে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

এক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রিতে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি থাকতে হবে এবং অন্যান্য ডিগ্রিতে একটির বেশি তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফল গ্রহণযোগ্য নয়।

অন্যদিকে মাদ্রাসার গ্রন্থাগার প্রভাষক পদের জন্য কামিল ডিগ্রির পাশাপাশি গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনে সর্বোচ্চ একটি তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য।

প্রদর্শক পদের যোগ্যতা

কলেজ পর্যায়ের অধীনে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রদর্শক পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ের প্রদর্শক পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ নির্ধারিত দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি প্রয়োজন।

অন্যদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রদর্শক পদের জন্য নিচের বিকল্প শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে – 

১. কম্পিউটার বিজ্ঞান, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি বা ICT বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।

২. বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে তিন বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার সায়েন্স।

এছাড়া কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার প্রদর্শক পদের জন্য স্বীকৃত বোর্ড থেকে কম্পিউটার টেকনোলজিতে দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের CGPA-সহ ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রয়োজন।

এসব পদের ক্ষেত্রে শিক্ষাজীবনের অন্যান্য স্তরে তৃতীয় বিভাগ বা সমমানের ফলাফলসংক্রান্ত শর্তও পূরণ করতে হবে।

কারিগরি ইন্সট্রাক্টর পদের যোগ্যতা

কলেজ পর্যায়ের অধীনে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইন্সট্রাক্টর (টেক) এবং ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক) পদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিষয় ও পদের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত।

ইন্সট্রাক্টর (টেক): কৃষি, প্রাণিচিকিৎসা ও উৎপাদন, মৎস্য এবং কৃষি প্রকৌশলসহ সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্ধারিত বিষয়ে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট পদের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের CGPA-এর শর্তও রয়েছে।

ইন্সট্রাক্টর (নন-টেক): বাংলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, ব্যবস্থাপনা ও হিসাববিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের ইন্সট্রাক্টর পদের জন্য পৃথক শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত রয়েছে।

এসব পদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে – 

  • সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চার বছর মেয়াদি দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি।
  • সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তিন বছর মেয়াদি অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।
  • স্নাতক পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়সহ ওই বিষয়ে প্রথম শ্রেণির স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

তবে সব ইন্সট্রাক্টর পদের ক্ষেত্রে একই বিকল্পগুলো প্রযোজ্য নয়। সংশ্লিষ্ট পদের জন্য নির্ধারিত ডিগ্রি, বিষয় ও শিক্ষাগত ফলাফলের শর্ত পূরণ করতে হবে।

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

অনার্স বা মাস্টার্সের ফলাফল প্রকাশিত না হলে কি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করা যাবে?

সর্বশেষ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন কিন্তু ফলাফল প্রকাশিত হয়নি এমন Appeared প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণযোগ্য ছিল না। তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কিন্তু মূল সনদ হাতে পাননি এমন প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রদত্ত প্রশংসাপত্র, টেবুলেশন শিট, নম্বরপত্র ও প্রবেশপত্র প্রদর্শনের নির্দেশনা ছিল।

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে কি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আবেদন করা যাবে?

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক পদের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতার সমমান হলে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইকুইভ্যালেন্স কমিটি অথবা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রদত্ত সমমান সনদ প্রয়োজন। মৌখিক পরীক্ষার সময় এই সনদের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।

শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষায় কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন?

মৌখিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মূল সনদ, স্নাতক পর্যায়ের নম্বরপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রযোজ্য প্রশিক্ষণ সনদ প্রয়োজন। এছাড়া সহকারী শিক্ষক পদের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে উল্লেখিত Optional Subject-এর প্রমাণ হিসেবে স্নাতক পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার পত্রের মূল কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।

শিক্ষক নিবন্ধনের আবেদনপত্রে ভুল তথ্য দিলে কি প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে?

হ্যাঁ। আবেদনপত্রে ভুল শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করা, জাল সনদ দাখিল করা কিংবা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপনের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে নিজের নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ফলাফল ও অন্যান্য তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার Optional Subject কীভাবে নির্বাচন করতে হয়?

আপনি যে শিক্ষক পদে আবেদন করার যোগ্য, সেই পদের জন্য নির্ধারিত বিষয়গুলোর মধ্য থেকে পরীক্ষার ঐচ্ছিক বিষয় (Optional Subject) নির্বাচন করতে হবে। বিশেষ করে সহকারী শিক্ষক পদের ক্ষেত্রে নির্বাচিত বিষয়ের স্বপক্ষে স্নাতক পর্যায়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র মৌখিক পরীক্ষায় প্রদর্শন করতে হতে পারে।

B.Ed, BP.Ed এবং BM.Ed কি একই যোগ্যতা?

না। এগুলো আলাদা প্রশিক্ষণগত ডিগ্রি। তাই কোনো শিক্ষক পদের জন্য B.Ed, BP.Ed বা BM.Ed-এর মধ্যে নির্দিষ্ট একটি ডিগ্রি প্রয়োজন হলে অন্য ডিগ্রিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার সমমান হিসেবে ধরা যাবে না। সংশ্লিষ্ট পদের জন্য যে প্রশিক্ষণ ডিগ্রি বা স্বীকৃত সমমানের যোগ্যতা নির্ধারিত রয়েছে, সেটিই পূরণ করতে হবে।

সহকারী মৌলভী ও ইবতেদায়ি মৌলভী কি একই পদ?

না। সহকারী মৌলভী স্কুল পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত, আর ইবতেদায়ি মৌলভী স্কুল পর্যায়-২-এর অন্তর্ভুক্ত একটি পদ।

এই দুই পদের শিক্ষাগত যোগ্যতাও আলাদা। তাই আবেদন করার সময় পদের নাম ও নির্ধারিত যোগ্যতা ভালোভাবে মিলিয়ে নিতে হবে।

ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক হতে কি নিজ ধর্মের প্রার্থী হতে হবে?

ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষক পদগুলোর জন্য ধর্মভিত্তিক পৃথক শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত রয়েছে। সর্বশেষ ১৮তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ স্কুলের এসব পদের ক্ষেত্রে স্বীয় ধর্মের শর্ত উল্লেখ ছিল। তাই সংশ্লিষ্ট ধর্মের জন্য নির্ধারিত ডিগ্রি ও অন্যান্য যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

শেষ কথা

আশা করি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার যোগ্যতা সম্পর্কে আলোচনাটি আপনাদের কাজে আসবে। স্কুল, স্কুল পর্যায়-২ এবং কলেজ পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষক পদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এক নয়। বিশেষ করে স্নাতক পর্যায়ের বিষয়, ডিগ্রির ধরন, শিক্ষাগত ফলাফল এবং সংশ্লিষ্ট পদের অন্যান্য শর্তের ওপর আবেদন করার যোগ্যতা নির্ভর করে।

তাই আপনি যে পর্যায়ে এবং যে বিষয়ে শিক্ষক হতে চান, প্রথমে সেই পদের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিশ্চিত করুন। এরপর বয়সসীমা ও আবেদনসংক্রান্ত অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে মিলিয়ে নিন।

আর যাঁরা ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে চান, তাঁদের জন্য MCQ Wizard-এ ফ্রিতেই প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমাদের শিক্ষক নিবন্ধন প্রশ্ন ব্যাংক থেকে বিগত বছরের প্রশ্ন অনুশীলন করে আজ থেকেই আপনার প্রস্তুতি শুরু করতে পারেন।

Similar Posts

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *